গরম জল খেলে শরীরের নানা সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়

শরীর-স্বাস্থ্য

HNExpress ওয়েব ডেস্ক : শরীরকে সুস্থ-সতেজ রাখতে জলের বিকল্প আর কিছুই হতে পারে না। চিকিত্‍সকরা বলেন, দিনে অন্তত পক্ষে ৮ থেকে ১০ গ্লাস জল খেতে। কিন্তু জানেন কি ঠিক কী ভাবে জল খেলে কোন কোন রোগ থেকে নিজেকে দূরে রাখা যায়?

SHEIN Many GEO's

অতিরিক্ত মেদ কমাতে:- শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমেছে? সকালে ঘুম থেকে উঠেই যোগাসন করছেন, মেদ ঝরাতে খাওয়া কমিয়েছেন, ভুলে যান এই সব। নো চিন্তা। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস উষ্ণ জল খেয়ে নিন। জলে লেবুর রসও দিতে পারেন। এক সপ্তাহেই দেখবেন মেদ কমবে ঝটপট।

Times Prime [CPA] IN Times Prime [CPA] IN

কোষ্ঠকাঠিন্যে:- কোষ্ঠকাঠিন্যের ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ দেয় ঈষদুষ্ণ জল। যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা সকালে ঘুম থেকে উঠেই যদি এক গ্লাস উষ্ণ জল খেতে পারেন তা হলে পেটের সমস্যা একেবারেই কমে যাবে।

Pharmeasy [CPS] IN

ঘাম ঝরাতে:- অনেকেই আছেন যাঁদের খুব বেশি ঘাম হয় না। শুনে কথাটি খুব ভালো মনে হলেও এই জিনিসটি কিন্তু মোটেই ভালো নয়। ঘাম বেরোনোর ফলে শরীর থেকে টক্সিন জাতীয় জিনিস বেরিয়ে যায়। তাই যে সব মানুষের ঘাম হয় না তাঁরা যদি ঈষদুষ্ণ জল খেতে পারেন তা হলে শরীরের তাপমাত্রা হালকা বৃদ্ধি পায় এবং তার ফলে ঘাম হয়।

SHEIN Many GEO's

সর্দি-কাশিতে:- অনেকেই সারা বছর ধরে সর্দি-কাশিতে ভুগে থাকেন। যখনই জল খাবেন, তখনই অল্প করে গরম করে নিন জল। নিয়মিত উষ্ণ জল খেলে এই সমস্যা দূর হবে সহজে।

চুলের সমস্যায়:- চুল পড়া, অকালপক্কতা, খুসকি থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে উষ্ণ জল। চুলের গোড়া শক্ত করতেও সাহায্য করে।

মানসিক অবসাদে:- মানসিক অবসাদে ভুগছেন? উষ্ণ জলে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। দেখবেন ভালো বোধ করবেন।

ব্রন, ফুসকুড়ির সমস্যায়:- ব্রন, ফুসকুড়ির সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের জন্যও উষ্ণ জল খুবই উপকারী। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে উষ্ণ জল পান করলে ব্রনর সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

হজমের সমস্যায়:- হজমের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে উষ্ণ জল! খাবার ঠিকমতো হজম না হলে গ্যাস, অম্বলের মতো সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। সে ক্ষেত্রে খেতে বসার আধ ঘণ্টা আগে যদি এক গ্লাস উষ্ণ জল খাওয়া যায় তা হলে এই সব সমস্যা কমে যেতে পারে।

বাতের সমস্যায়:- বাতের সমস্যাতেও কাজ দেয় এই ঈষদুষ্ণ জল। সাধারণত রক্ত চলাচলের সমস্যার কারণেই শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হয় ব্যথা। ফলে এই জলে টক্সিন যেমন বেরিয়ে যাবে, তেমনই রক্ত চলাচলও স্বাভাবিক হবে। ব্যথাও কমে যাবে।