
সমীর দাস, কলকাতা : সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে নীতি আয়োগ। তাতে রয়েছে এক ভয়ঙ্কর তথ্য। রিপোর্ট বলছে, ক্রমশ বাড়ছে কন্যাভ্রূণ হত্যার সংখ্যা। ফলে শিশুকন্যার সংখ্যা ব্যাপক হারে কমছে।এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি গুজরাতে। বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও -এর মতো প্রিয় শ্লোগান প্রধানমন্ত্রীর রাজ্যে কেন খাটছে না, তা নিয়েই প্রশ্ন সব মহলে। শুধু গুজরাত নয়। কন্যাসন্তানের সংখ্যা, পুত্রসন্তানের অনুপাতে বেশ কম দেশের ২১ রাজ্যের মধ্যে ১৭টি রাজ্যেই। ২০১২-১৪ সালে প্রতি ১০০০ জন ছেলের অনুপাতে গুজরাতে মেয়ের সংখ্যা ছিল ৯০৭ জন। ২০১৩-২০১৫ সালের রিপোর্ট বলছে সেই সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ৮৫৪-তে।
এরপরেই রয়েছে হরিয়ানা, উত্তরাখন্ড, মহারাষ্ট্র, হিমাচল প্রদেশ, ছত্তিশগড় ও কর্ণাটক। নীতি আয়োগের ‘হেলদি স্টেট, প্রগেসিভ ইন্ডিয়া’ শীর্ষক রিপোর্টে এই তথ্যই প্রকাশিত হয়েছে। কীভাবে সমাধান সম্ভব, তারও হদিশ দিয়েছে এই রিপোর্ট। বলা হয়েছে, জন্মের আগে লিঙ্গ নির্ধারণ করে ধরা পড়লে যোগ্যতম শাস্তি দেওয়া হোক। নজরদারি চালানো হোক রাজ্যগুলির ক্লিনিকে ক্লিনিকে। ১৯৯৪ সালের আইন অনুযায়ী কন্যাসন্তানের গুরুত্ব বোঝাতে জনসচেতনতা প্রচার করা হোক।
তবে আশার আলো দেখাচ্ছে পাঞ্জাব। চলতি বছরে কন্যাসন্তানের জন্মানোর হার বেড়েছে সে রাজ্যে। একইভাবে কন্যাসন্তানের জন্মানোর অনুপাত বেড়েছে উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে।ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ণয় ও কন্যাভ্রূণ হত্যার মূল্য এরই মধ্যে দিতে শুরু করেছে ভারত।
শেষ আদমশুমারী অনুসারে, মোট নারীর সংখ্যাটা পুরুষের চেয়ে ৩৭.২৫ মিলিয়ন কম। যা প্রাকৃতিক লিঙ্গ অনুপাতের সঙ্গে মোটেও মানানসই নয়। মেয়েশিশুর সংখ্যা ছেলেশিশুর সংখ্যার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে পারছে না। গত ৬০ বছর ধরেই সেখানে নারী-পুরুষের আনুপাতিক ব্যবধান বাড়ছে।


![Samsung [CPS] IN](https://www.hnexpress.in/wp-content/uploads/2020/09/samsung_banner.jpg)
