HNExpress নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও জ্বলছে বাগরি মার্কেট। তবে আগুনের তীব্রতা অনেকটাই কমেছে। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আগুনকে নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে দমকলকে। জানা গিয়েছে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়েই এই অগ্নিকাণ্ড। এই অবস্থায় রবিবার বিকেলেও নতুন করে আর একটি বিস্ফোরণ হয়। শনিবার রাতে প্রথমে গ্রাউন্ড ফ্লোরেই আগুন লাগে। এক এক করে ভেঙে পড়তে থাকে মার্কেটের চাঙড়। ৩০টি দমকলের ইঞ্জিন থাকা সত্ত্বেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। মার্কেটের বিধ্বংসী আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম দশা দমকলের। জলের অভাবে ভুগছেন দমকল কর্মীরা। যখনই জল দেওয়া কম হচ্ছে আগুন আরও রুদ্র রূপ ধারণ করছে। দীর্ঘ লড়াইয়ে কিছুটা ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন দমকলকর্মীরাও। এদিকে জলের যোগানও পর্যাপ্ত নেই। কিছু জায়গাই এখনও আগুন রয়ে গেছে বলে জানান দমকলকর্মীরা। তবে বড় সমস্যা জলের। আপাতত ভূগর্ভস্থ জলের সাহায্যেই আগুন নেভানোর চেষ্টা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত দমকল তিনতলা পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছে। প্রতিটি তলে ফায়ার পকেটস খুঁজে চলেছেন দমকলকর্মীরা। ফলে এই আগুন এখনই যে নিভছে না তা একপ্রকার নিশ্চিত। মার্কেটের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল ধরেছে। পুজোর আগে বাগরি মার্কেটের আগুনের এই ভয়াবহতা মাথায় হাত ফেলেছে ব্যবসায়ীদের।এই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন বাবরি মার্কেটের ব্যবসায়ীরা। আগুনের গ্রাসে চলে গিয়েছে বাগরি মার্কেট। চোখের সামনে পুড়ে খাঁক হয়ে যাচ্ছে একের পর এক তলা। নিজেদের সর্বস্ব হারিয়ে চরম হাহাকার এখন বাগরি মার্কেট চত্বরের ব্যবসায়ীদের। আগুনের আতঙ্কে ঘুম উড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। আগুন লাগার পরই ঘটনাস্থলে চলে আসেন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় ও পুলিস কমিশনার। গভীর রাতে তারা ফিরে যান। মার্কেটে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিকঠাক ছিল না বলে অভিযোগ উঠছে। আগুনের আতঙ্কে ঘুম উড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। দেখা দিয়েছে দেওয়ালে ফাটল, ভেতর থেকে বেরিয়ে আসছে কালো ধোঁয়া। এতেই বিপদ আরো বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

![Samsung [CPS] IN](https://www.hnexpress.in/wp-content/uploads/2020/09/samsung_banner.jpg)
