সমীর দাস, কৃষ্ণনগর : আজ নদীয়া জেলার পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাসও করেন।
আজ নদীয়া জেলা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ১২০০০ কিঃমিঃ নতুন গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের কাজ উদ্বোধন করেন। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৯ সালের মধ্যে ৩৫০০০ গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ সম্পূর্ণ হবে।
মুখ্যমন্ত্রী যে সকল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন, তার কয়েকটি হল, ব্লাড কম্পোনেন্ট সেপারেশন ইউনিট, ব্লাড ব্যাঙ্ক, ডিজিটাল এক্সরে মেশিন, চক্ষু অপারেশনের জন্য বায়মেট্রিক মেশিন, ৩৩/১১ কে ভি সাব স্টেশন, চুর্নি নদীর ওপর সেতু, যুব আবাস, বিদ্যালয় ভবন, উচ্চ বাতিস্তম্ভ স্থাপন ইত্যাদি।
তিনি যে সকল প্রকল্পের শিলান্যাস করেন, তার কয়েকটি হল, ১৩২/৩৩ কে ভি সাব স্টেশন, ১০টি কর্মতীর্থ, ভাগীরথী নদীর জল পরিশ্রুতকরণ কেন্দ্র, ভাগীরথী নদীর তীরে পাড় বাঁধানো, মৎস্য প্রকল্প, ১৭টি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট, ২১০২ টি তাঁতঘর, বন্যাত্রান শিবির, স্থায়ী জেটি ইত্যাদি।
এছাড়াও তিনি কন্যাশ্রী, সবুজসাথী, গতিধারা, পাট্টা, কিষাণ ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদি পরিষেবা প্রদান করেন।
মুখ্যমন্ত্রীর তাঁর মুল্যবান বক্তব্যে বললেন যে, সিপিএমের আমলে নদিয়া জেলা অনেক অবহেলিত হয়েছে। এখন সেখানে উন্নয়নের জোয়ার।বাংলায় কৃষকদের সব ঋণ মুকুব করে দেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ১২০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে সরকার।কৃষকদের যাতে অভাবী ফসল বিক্রি করতে না হয় তার সহায়ক মূল্য হিসেবে একটি তহবিল তৈরি করা হয়েছে। এর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা।কৃষকদের পেনশন ৭৫০ টাকা বারিয়ে ১০০০ টাকা করা হয়েছে। আরও প্রায় ৩৪ হাজার কৃষক এই সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা হবে।নদিয়া জেলায় মসলিন তীর্থ তৈরী করা হয়েছে।আগামী দিন নবদ্বীপ হেরিটেজ সহ মায়াপুর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এর ফলে নদিয়া জেলার পর্যটন অনেক উন্নত হবে।রাজ্যের সব জেলায় প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষের কাছে সরকারী পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।১২,০০০ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হবে। আজ শুভ সূচনা হল।আমাদের সরকার মা মাটি মানুষের সরকার। এই সরকার জনগণের বিরুদ্ধে কোন কাজ করে না। মা মাটি মানুষের সরকারের কথার দাম খুব বেশি।আমাদের ছাত্র সমাজ আমাদের গর্ব।কন্যাশ্রী স্কলারশিপের টাকা ৭৫০ টাকা থেকে বারিয়ে ১০০০ টাকা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদেরও এই স্কলারশিপের আওতায় আনা হয়েছে।ছাত্রছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষার জন্য আমরা মেরিট স্কলারশিপ চালু করা হয়েছে।নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে প্রায় ৭০ লক্ষ সবুজ সাথী সাইকেল দেওয়া হয়েছে।নতুন প্রকল্প ‘রূপশ্রী’ চালু করা হয়েছে। বার্ষিক ইনকাম ১.৫ লক্ষ টাকা হলে সেই পরিবারের মেয়েদের ১৮ বছর বয়সের পর বিবাহের জন্য ২৫০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেবে সরকার।দিল্লির সরকার মুখে বড় বড় কথা বলে। ওদের একটি প্রোগ্রাম আছে ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’, তার বাজেট মাত্র ১০০ কোটি টাকা আর বাংলার কন্যাশ্রী প্রকল্পে আমরা ৫০০০ কোটি টাকা খরচ করেছি।কেন্দ্রীয় সরকার FRDI বিল আনার পরিকল্পনা করছে। এর ফলে জনগণের টাকা ব্যাঙ্কের দরকার মতো ব্যাঙ্ক নিয়ে নেবে জনগণকে জিজ্ঞেস না করেই। মানে সাধারণ মানুষ ব্যাঙ্কে টাকা রেখে নিশ্চিন্ত হতে পারবে না। গরীব মানুষ, কৃষক, শ্রমিক কোথায় রাখবে? এটা কালা কানুন। আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি। দরকার হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।নোটবন্দীর নামে মানুষের লক্ষ্মীর ভাঁড়গুলো কেড়ে নিয়েছ, জিএসটির জন্য একটা দোকান চলছে না ভালো করে।১২০০০ কৃষক সারা দেশে আত্মহত্যা করেছে, তাঁর মধ্যে সবচেয়ে বেশী যেখানে বিজেপির শাসন আছে। এখন বলছে কৃষকদের আয় বাড়াবো, কোথা থেকে বাড়াবে?কেন্দ্র মিথ্যে কথা বলে দিল, আমরা হেলথ স্কিম করব, কোথা থেকে করবে? টাকা কোথায়? এখন বলছে রাজ্যকে ৪০ ভাগ দিতে হবে, কেন রাজ্য দেবে? রাজ্যের ক্ষমতা থাকলে, নিজে করবে।বিনা পয়াসায় চিকিৎসা দিই আমরা। বিনা পয়সায় হাসপাতালে চিকিৎসা দিই আমরা। স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে আমাদের ৫০ লক্ষ লোক আছে।অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য আমাদের প্রকল্প আছে।২ টাকা কিলো চাল, গম আমরাই একমাত্র দিই।সিপিএমের দেনা করে গেছে আর বিজেপির সরকার আমাদের থেকে কেটে ৪৮০০০ কোটি টাকা নিয়ে যায়।জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত, শিশুসাথী থেকে সমব্যাথী, প্রকল্প আছে আমাদের।স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি যাতে ঋণ নিতে পারেন তাই আমরা সুদের হার কমিয়ে ২% করে দিয়েছি, ৩০% সাবসিডি দিই আমরা।কেন্দ্রীয় সরকার আইসিডিএস, আশা প্রোজেক্ট বন্ধ করে দিয়েছে, এখন আমরা নিজেরা টাকা দিয়ে এই প্রোজেক্ট চালু রেখেছি।১.৭১ কোটি সংখ্যালঘু, তফসিলি ও আদিবাসীদের ৫৭ লক্ষ ছেলেমেয়েরা স্কলারশিপ পেয়েছে।যারা এন্টাইটেল্ড রিফিউজি তাদের পাট্টা দেওয়া হচ্ছে, ১৩ হাজার রেডি আছে পাট্টা।যারা কাজ করে না, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে, শুধু হিন্দু মুসলমান লাগিয়ে দেয়, গাড়ি জ্বালিয়ে দেয়, তাদের সমর্থন করি না।সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় কেউ যাবেন না, বিজেপির কথা শুনে কেউ ঘর ভাঙবেন না, ওদের মতো সর্বনাশা দল কম আছে।আমরা হিন্দুধর্মের লোক, আমরা হিন্দুকেও ভালবাসি, মুসলমানকেও ভালবাসি। বিজেপি একটা রাজনৈতিক দল, ১৯৮৪ সালে জন্ম, ওরা আমায় জ্ঞান দেবেন, আজ নতুন করে ওরা আমাদের হিন্দুধর্ম শেখাবে? ওরা হিন্দুধর্মকে অপমান করে।ছাত্র যৌবন স্বপ্ন দেখুন এই বাংলাকে বিশ্বসেরা করে তোলার।
সমীর দাস, কৃষ্ণনগর : আজ নদীয়া জেলার পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বিভিন্ন প্রকল্পের শিলান্যাসও করেন।
আজ নদীয়া জেলা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ১২০০০ কিঃমিঃ নতুন গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের কাজ উদ্বোধন করেন। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৯ সালের মধ্যে ৩৫০০০ গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ সম্পূর্ণ হবে।
মুখ্যমন্ত্রী যে সকল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন, তার কয়েকটি হল, ব্লাড কম্পোনেন্ট সেপারেশন ইউনিট, ব্লাড ব্যাঙ্ক, ডিজিটাল এক্সরে মেশিন, চক্ষু অপারেশনের জন্য বায়মেট্রিক মেশিন, ৩৩/১১ কে ভি সাব স্টেশন, চুর্নি নদীর ওপর সেতু, যুব আবাস, বিদ্যালয় ভবন, উচ্চ বাতিস্তম্ভ স্থাপন ইত্যাদি।
তিনি যে সকল প্রকল্পের শিলান্যাস করেন, তার কয়েকটি হল, ১৩২/৩৩ কে ভি সাব স্টেশন, ১০টি কর্মতীর্থ, ভাগীরথী নদীর জল পরিশ্রুতকরণ কেন্দ্র, ভাগীরথী নদীর তীরে পাড় বাঁধানো, মৎস্য প্রকল্প, ১৭টি বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট, ২১০২ টি তাঁতঘর, বন্যাত্রান শিবির, স্থায়ী জেটি ইত্যাদি।
এছাড়াও তিনি কন্যাশ্রী, সবুজসাথী, গতিধারা, পাট্টা, কিষাণ ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদি পরিষেবা প্রদান করেন।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কিছু অংশ:
সিপিএমের আমলে নদিয়া জেলা অনেক অবহেলিত হয়েছে। এখন সেখানে উন্নয়নের জোয়ার।বাংলায় কৃষকদের সব ঋণ মুকুব করে দেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ১২০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে সরকার।কৃষকদের যাতে অভাবী ফসল বিক্রি করতে না হয় তার সহায়ক মূল্য হিসেবে একটি তহবিল তৈরি করা হয়েছে। এর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা।কৃষকদের পেনশন ৭৫০ টাকা বারিয়ে ১০০০ টাকা করা হয়েছে। আরও প্রায় ৩৪ হাজার কৃষক এই সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা হবে।নদিয়া জেলায় মসলিন তীর্থ তৈরী করা হয়েছে।আগামী দিন নবদ্বীপ হেরিটেজ সহ মায়াপুর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এর ফলে নদিয়া জেলার পর্যটন অনেক উন্নত হবে।রাজ্যের সব জেলায় প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষের কাছে সরকারী পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।১২,০০০ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হবে। আজ শুভ সূচনা হল।আমাদের সরকার মা মাটি মানুষের সরকার। এই সরকার জনগণের বিরুদ্ধে কোন কাজ করে না। মা মাটি মানুষের সরকারের কথার দাম খুব বেশি।আমাদের ছাত্র সমাজ আমাদের গর্ব।কন্যাশ্রী স্কলারশিপের টাকা ৭৫০ টাকা থেকে বারিয়ে ১০০০ টাকা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদেরও এই স্কলারশিপের আওতায় আনা হয়েছে।ছাত্রছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষার জন্য আমরা মেরিট স্কলারশিপ চালু করা হয়েছে।নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে প্রায় ৭০ লক্ষ সবুজ সাথী সাইকেল দেওয়া হয়েছে।নতুন প্রকল্প ‘রূপশ্রী’ চালু করা হয়েছে। বার্ষিক ইনকাম ১.৫ লক্ষ টাকা হলে সেই পরিবারের মেয়েদের ১৮ বছর বয়সের পর বিবাহের জন্য ২৫০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেবে সরকার।দিল্লির সরকার মুখে বড় বড় কথা বলে। ওদের একটি প্রোগ্রাম আছে ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’, তার বাজেট মাত্র ১০০ কোটি টাকা আর বাংলার কন্যাশ্রী প্রকল্পে আমরা ৫০০০ কোটি টাকা খরচ করেছি।কেন্দ্রীয় সরকার FRDI বিল আনার পরিকল্পনা করছে। এর ফলে জনগণের টাকা ব্যাঙ্কের দরকার মতো ব্যাঙ্ক নিয়ে নেবে জনগণকে জিজ্ঞেস না করেই। মানে সাধারণ মানুষ ব্যাঙ্কে টাকা রেখে নিশ্চিন্ত হতে পারবে না। গরীব মানুষ, কৃষক, শ্রমিক কোথায় রাখবে? এটা কালা কানুন। আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি। দরকার হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।নোটবন্দীর নামে মানুষের লক্ষ্মীর ভাঁড়গুলো কেড়ে নিয়েছ, জিএসটির জন্য একটা দোকান চলছে না ভালো করে।১২০০০ কৃষক সারা দেশে আত্মহত্যা করেছে, তাঁর মধ্যে সবচেয়ে বেশী যেখানে বিজেপির শাসন আছে। এখন বলছে কৃষকদের আয় বাড়াবো, কোথা থেকে বাড়াবে?কেন্দ্র মিথ্যে কথা বলে দিল, আমরা হেলথ স্কিম করব, কোথা থেকে করবে? টাকা কোথায়? এখন বলছে রাজ্যকে ৪০ ভাগ দিতে হবে, কেন রাজ্য দেবে? রাজ্যের ক্ষমতা থাকলে, নিজে করবে।বিনা পয়াসায় চিকিৎসা দিই আমরা। বিনা পয়সায় হাসপাতালে চিকিৎসা দিই আমরা। স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে আমাদের ৫০ লক্ষ লোক আছে।অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য আমাদের প্রকল্প আছে।২ টাকা কিলো চাল, গম আমরাই একমাত্র দিই।সিপিএমের দেনা করে গেছে আর বিজেপির সরকার আমাদের থেকে কেটে ৪৮০০০ কোটি টাকা নিয়ে যায়।জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত, শিশুসাথী থেকে সমব্যাথী, প্রকল্প আছে আমাদের।স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি যাতে ঋণ নিতে পারেন তাই আমরা সুদের হার কমিয়ে ২% করে দিয়েছি, ৩০% সাবসিডি দিই আমরা।কেন্দ্রীয় সরকার আইসিডিএস, আশা প্রোজেক্ট বন্ধ করে দিয়েছে, এখন আমরা নিজেরা টাকা দিয়ে এই প্রোজেক্ট চালু রেখেছি।১.৭১ কোটি সংখ্যালঘু, তফসিলি ও আদিবাসীদের ৫৭ লক্ষ ছেলেমেয়েরা স্কলারশিপ পেয়েছে।যারা এন্টাইটেল্ড রিফিউজি তাদের পাট্টা দেওয়া হচ্ছে, ১৩ হাজার রেডি আছে পাট্টা।যারা কাজ করে না, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে, শুধু হিন্দু মুসলমান লাগিয়ে দেয়, গাড়ি জ্বালিয়ে দেয়, তাদের সমর্থন করি না।সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় কেউ যাবেন না, বিজেপির কথা শুনে কেউ ঘর ভাঙবেন না, ওদের মতো সর্বনাশা দল কম আছে।আমরা হিন্দুধর্মের লোক, আমরা হিন্দুকেও ভালবাসি, মুসলমানকেও ভালবাসি। বিজেপি একটা রাজনৈতিক দল, ১৯৮৪ সালে জন্ম, ওরা আমায় জ্ঞান দেবেন, আজ নতুন করে ওরা আমাদের হিন্দুধর্ম শেখাবে? ওরা হিন্দুধর্মকে অপমান করে।ছাত্র যৌবন স্বপ্ন দেখুন এই বাংলাকে বিশ্বসেরা করে তোলার।


![Samsung [CPS] IN](https://www.hnexpress.in/wp-content/uploads/2020/09/samsung_banner.jpg)
