HNExpress অনুষ্টুপ ভট্টাচার্য, কলকাতা : দেখতে দেখতে সি. পি. ডি. আর. ৩০টি বছর কাটিয়ে ফেলল, প্রতিষ্ঠাতা দয়াময় বিশ্বাসের হাত ধরে। ভারতের তথা পশ্চিমবাংলার রাজনীতির নানা উথ্বান এবং পতনের সাক্ষী এই সি. পি. ডি. আর.। এই তিরিশ বছরে সি. পি. ডি. আর. নানান অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডের মধ্যে দিয়ে তার শাখা প্রশাখা সমগ্ৰ পশ্চিমবাংলায় মেলে ধরে বিশাল এক মহীরুহে পরিনত হয়েছে। এদের সদস্য সদস্যাও অগুনতি। এই তিরিশ বছর বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মধ্য কলকাতার সেন্ট্রাল বৌবাজার অঞ্চলে ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সামনে এক বিশাল সভার আয়োজন করা হয়েছিল। যা ক্রমশঃ কার্যত এক মহাসভার রূপ নেয়। অসংখ্য সদস্য এবং সদস্যারা উপস্থিত ছিলেন।

শুধু কলকাতা নয় সারা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে সি,পি,ডি,আর কর্মীরা এসেছিলেন। প্রচন্ড দাবদাহেও তাদের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। নাচে, গানে, কবিতায়, নাটকে ভরে উঠেছিল সভা প্রাঙ্গণ। বেলা ১টা থেকে শুরু হওয়া এই সভা দীর্ঘ সময় ধরে চলেছিল। উক্ত অনুষ্ঠানে সি,পি,ডি,আর এর প্রথম সারীর নেতা নেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতা নেত্রীরাও। সভার উদ্বোধন করেন আলমবাজার রামকৃষ্ণ মঠের স্বামী সারদাত্মানন্দ মহারাজ। ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সিকিম হাইকোর্টের চিফ্ জাস্টিস শ্রী মলয় কুমার সেনগুপ্ত, উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অব হোমিওপ্যাথির সভাপতি ডঃ প্রকাশ মল্লিক, এছাড়াও ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত পাবলিক প্রসিকিউটর কাজী সফিউল্লাহ, ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত আই পি এস অফিসার শ্রী শিশুরঞ্জন পাল, ছিলেন সারা ভারত লিগাল এইড ফোরামের শ্রী জয়দীপ মুখার্জি প্রমুখ ব্যাক্তিত্বরা। এছাড়াও সভাটির শুরু থেকে শেষ, সমস্থ সময় টা জুড়ে যিনি ছিলেন, যার ওপর ভিত্তি করেই পুরো সভা চলেছে, যার নিপুণ পরিচালনায় পুরো অনুষ্ঠান টি সাফল্য মণ্ডিত হয়েছে, তিনি হলেন সি. পি. ডি. আর. এর প্রতিষ্ঠাতা প্রাণপুরুষ শ্রী দয়াময় বিশ্বাস।

![Samsung [CPS] IN](https://www.hnexpress.in/wp-content/uploads/2020/09/samsung_banner.jpg)
