HNExprss নিজস্ব প্রতিনিধি, হিন্দু ধর্মের আচারের অংশ হিসাবে পশু বলি দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু এবার শ্রীলঙ্কা সরকার এবিষয়ে অনন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হিন্দু মন্দিরে ধর্মীয় আচারের অংশ হিসাবে পশু বা পাখি বলি দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা সরকার। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা সরকারের এক মুখপাত্র এমনটাই জানা গিয়েছে। এবিষয়ে শ্রীলঙ্কার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আনা একটি প্রস্তাব বুধবার অনুমোদন করেছে মন্ত্রীসভা। হিন্দুদের অধিকাংশ উদারপন্থি সংগঠন সরকারের এই সিদ্ধান্তে সমর্থন করেছে বলেও দাবি করেছেন ওই আধিকারিক। সাধারণত শ্রীলঙ্কার মন্দিরগুলিতে দেবতার প্রতি নৈবদ্য হিসেবে পাঁঠা, ষাঁড় বা মোরগ বলি দেওয়া হিন্দু ধর্মের রীতি। কিন্তু বৌদ্ধ প্রধান শ্রীলঙ্কায় প্রাণী হত্যার এই আচার নিয়ে অসন্তোষ দীর্ঘদিনের।বৌদ্ধদের বিভিন্ন সংগঠন ও প্রাণী অধিকার আন্দোলনের কর্মীরা হিন্দু ও মুসলমসানদের উৎসবে পশু বলি ও কোরবানি বন্ধের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। হিন্দুদের মধ্যে অনেকে পশু বলিতে অংশ নেন না। কিন্তু যারা নেন, তারা শ্রীলঙ্কা সরকারের ওই নিষেধাজ্ঞাকে ধর্মীয় আচার পালনের স্বাধীনতায় বাধা হিসেবে দেখছেন। তারা বলছেন, ধর্ম বিশ্বাসের অংশ হিসেবে পশু বলি দেওয়ার এই রেওয়াজ চলে আছে প্রাচীনকাল থেকে, আর তা চলতে দেওয়াই উচিৎ। যদিও শ্রীলঙ্কার মুসলমানদের পশু কোরবানির বিষয়টি আপাতত নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসছে না। শুধুমাত্র হিন্দু মন্দিরগুলিতেই পশু বলি নিষিদ্ধ হতে চলেছে।

![Samsung [CPS] IN](https://www.hnexpress.in/wp-content/uploads/2020/09/samsung_banner.jpg)
