HNExpress অলোক আচার্য, নিউব্যারাকপুর : নিউব্যারাকপুর পৌরসভার উদ্যোগে স্থানীয় কৃষ্টি প্রেক্ষাগৃহে পৌরাঞ্চলের বিদ্যালয় সমূহ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ৭৫% নম্বর প্রাপ্ত কৃতী ও মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনায় আরও উৎসাহ দিতে সম্বর্ধিত করা হয় শনিবার বিকেলে। কৃতী ও মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন দমদমের সাংসদ অধ্যাপক সৌগত রায়। সৌগত বাবু উপস্থিত সকল ছাত্র ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ জানিয়ে ভালো ভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে বলেন। তিনি কৃতী পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে বলেন, মেধা যা ঈশ্বর দিয়েছেন, তা থেকে নিজের উন্নতি করো। তিনি হরিপদ বিশ্বাসকে স্মরণ করে বলেন, তিনি যে স্কুল কলেজ দিয়ে ঘেরা আজকের এই অঞ্চল তার দূরদর্শিতার পরিচয়। আজকে ইন্টারনেটের যুগে পৃথিবীটা ছোট হয়ে যাচ্ছে, যারা বিজ্ঞান পড়ছো, তারা মাতৃভাষার সঙ্গে ইংরেজী ও অঙ্কটা ভালো করে শেখো। বাঙালি হিসেবে এটা আমাদের মনে রাখতে হবে বাংলা ভারতের একটি অংশ, ভারতবর্ষ। দেশের মা একটা তীর্থ। মা বাবাকে শ্রদ্ধা না করলে কোনো শিক্ষাই সার্থক হবে না। তোমরা বিদেশে গিয়ে দেশকে বঞ্চিত করো না। আজকের সম্বর্ধনা একটা সামাজিক দায়বদ্ধতা। ভোটের জন্য নয়। কারণ যারা পাশ করেছে তাদের এখনো ভোটের বয়স হয়নি। বাংলায় মেয়েদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে উচ্চ শিক্ষায় উৎসাহিত করেছেন। কৃতী ছাত্র ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ জীবন আরও সফল করতে পৌরসভার এই ধারাবাহিক প্রয়াস। নিউব্যারাকপুর পৌরসভা প্রতি বছর এই কৃতী বরণ অনুষ্ঠান করে চলেছে। সাংসদ হিসেবে যখনই এ ধরণের অনুষ্ঠানে আসি, আমি আপ্লুত হয়ে যাই কৃতী ও মেধাবী পড়ুয়াদের দেখে। শিক্ষা ক্ষেত্রে পৌরাঞ্চল যথেষ্ট এগিয়ে। এখানে রয়েছে নামিদামী স্কুল, কলেজ, বি এড কলেজ। কৃতীরা এইসমস্ত বিদ্যালয় থেকে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় চার শতাধিক কৃতী মেধাবীদের সম্বর্ধিত করা হচ্ছে এই মঞ্চ থেকে। মঞ্চে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি কৃষ্ণ গোপাল বন্দ্যোপাধ্যায়, নিউব্যারাকপুর পৌরসভার পৌরপ্রধান তৃপ্তি মজুমদার, উপপুরপ্রধান মিহির দে, কলোনি বয়েজ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ড. অনিরুদ্ধ বিশ্বাস, প্রাক্তন পৌরপিতা ও সমাজসেবক সুখেন মজুমদার, পুরদলনেতা প্রবীর সাহা, প্রবীণ সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বিশ্বাস, ড. বিধান চন্দ্র মন্ডল, অসিত রঞ্জন বিশ্বাস সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা, শিক্ষানুরাগী গুণীজনেরা সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গণ। মঞ্চে কৃতীদের হাতে বঙ্কিম চন্দ্র রচনাবলী, প্রশংসা পত্র, মেডেল, গোলাপ ফুল, মিষ্টি উপহার তুলে দেন। উল্লেখ্য এবছর মেয়েদের মধ্যে মাধ্যমিকে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে মৌলি বসু(৬৬৪)এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় মেয়েদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে মধুমিতা মিত্র (৪৬৬)।ছেলেদের মধ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে সুমন রায়(৬৬৫)।

![Samsung [CPS] IN](https://www.hnexpress.in/wp-content/uploads/2020/09/samsung_banner.jpg)
